ধর্ষন ও ধর্ষনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন কি কি কঠোর পদক্ষেপ নেয় দেখে নেওয়া যাক।

 


ধর্ষণ ও ধর্ষণের শাস্তি।          

 যত দিন যাচ্ছে  ধর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে। রোজকার খবর টিভিতে খবরের কাগজ আমরা দেখে থাকি এই খবর।

  ধর্ষণ প্রকারভেদ আছে যেমন-

(1)  নাবালিকাকে ধর্ষণ।

(2)  গর্ভবতী মহিলাকে ধর্ষণ।

(3)  পুলিশের হেফাজতে থাকা মহিলার ধর্ষণ।

(4)  কোনো উচ্চপদস্থ আধিকারিক দাড়াও অধীনস্থ কর্মচারী ধর্ষণ।

                           একটি মাপকাঠি দিয়ে সব ধরনের ধর্ষণকাণ্ড বিচার করা যায় না।

 ধর্ষণ হল-  ধর্ষণ হল কোনো মহিলার সঙ্গে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সহবাস করা কে ধর্ষণ বলে।

 ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনায় দায়ের করতে হবে পুলিশকে অভিযোগ দুই ভাবে দেওয়া হয় যেমন জিডি এবং এফ আই আর।

                  জিডি হলো জেনারেল ডায়েরি যাওয়া হলো পুলিশের লগবুক থানায় পুলিশের কাছে অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয় তা যে জিডিতে তুলে রাখা হয়। যে অপরাধ করেছে তার নামে জিডি করা হয়।

                    এফ আই আর হল অপরাধে গ্রেফতার তদন্ত ও চার্জশিট  দেওয়া হয় থানা দিয়ে।

                     অভিযোগকারীকে নিজের হাতে ঘটনা লিখতে হবে।যদি ঘটনাটি পুলিশ লেখে তাহলে এই লেখাটির পুলিশকে দিয়ে পড়িয়ে শুনে নেবেন।

                       অভিযোগকারীর  বয়স,কবে য,কোথায় ঘটনাটি ঘটেছে আর অপরাধী কতজন এই সমস্ত কিছু থানায় পুলিশকে জানাবেন। অভিযোগকারিণীর পরিবারে জানাবেন ঘটনাটি।

                       যদি স্থানীয় পুলিশ অভিযোগকারীর অভিযোগ অস্বীকার করে তাহলে সরাসরি লালবাজারে গিয়ে অভিযোগ করতে হবে।

                           ধর্ষনের অপরাধীদের শাস্তির বিধান হলো দেশের অবস্থা ও গুরুত্ব বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয় ভারতীয় আইন দন্ড বিধি 376 ধারা অনুযায়ী যেকোনো ধর্ষণকারী অন্তত সাত বছর বা 10 বছর কিংবা সারা জীবন কারাদণ্ড বাস করতে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

ক্রেতা সুরক্ষা আইন কী? সহজ ভাষায় জেনে নিন।

ধারা ৪৫৭ এর বিবরণ

IPC ধারা 500 কি? সহজ ভাষায় জেনে নিন।