খোরপোষ ও ভরণপোষণ :
খোরপোষ ও ভরণপোষণ :
স্ত্রীর খরগোশের বিশেষ অধিকার 1956 সালে 18 নম্বর ধারায়। বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্ত্রী যেমন মাসে মাসে খরগোশের অধিকারী তেমন আইনেই কতকগুলি ক্ষেত্রে স্বামীর থেকে পৃথক ভাবে বসবাস করতে পারবেন তার খরপোষ পাওয়ার অধিকার অক্ষুন্ন রেখে।
1) স্বামী কোন কারণ ছাড়াই স্ত্রীকে ত্যাগ করে কিংবা স্ত্রী সন্তানহীনা বলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্ত্রী'র কে অবহেলা করে।
2) স্বামী যদি স্ত্রীর উপর নির্যাতন করে যার ফলে স্ত্রীর মানসিক ক্ষতি হয়।
3) স্বামী যদি কোন স্ত্রী জীবিত থাকে অথবা একই বাড়িতে রক্ষিতার সঙ্গে বসবাস করে।
4) স্বামী যদি কোনো গোপন রোগে আক্রান্ত হয়।
5) স্বামী যদি ধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্ম গ্রহণ করেন।
6) স্ত্রী যদি চরিত্রহীনা প্রমাণিত হয় বা ধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্ম গ্রহণ করে তবে সেই স্ত্রীর কাছ থেকে খড়পোষ পাবেন না।
7) 19 নম্বর ধারায় বলা আছে স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা স্ত্রীর খোরপোষ বাঘরোল প্রশ্নের দায়িত্ব তার শ্বশুর বাড়ির উপর পাবে থাকবে।
8)বিধবা স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তি থেকে ভরণপোষণ পাবে।
9) বিধবা স্ত্রী যদি আবার বিবাহ করে তবে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।
নাবালোকদের ভরণপোষণ :
1) স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে বসবাস করলে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ আইনে মামলা চললে। ঝিনুক যেমন আইনগতভাবে খোরপোষের অধিকারী তেমনি তাদের নাবালক ছেলে মেয়ে ভরণপোষণের অধিকারী।
2) যদি তাদের বাবার ভরণপোষণ না দেয় তাহলে 125 ও 126 ধারা অনুযায়ী স্বামীর জেল ও জরিমানা দুটোই হতে পারে।
3) আইনে কুড়ি নম্বর ধারায় বলা আছে যে ছেলে-মেয়ের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব সবার প্রতি তার বাবার তারপর মায়ের উপর।
4) কুড়ি নম্বর ধারায় বলা আছে যে বৃদ্ধ ও অশক্ত বাবা-মার ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তাদের ছেলে মেয়ের উপর থাকে।
5) অবিবাহিত মেয়েদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তার বাবা-মায়ের উপর থাকে।
বাবা-মায়ের ভরণপোষণের অধিকার :
1) 2007 সালে কেন্দ্রীয় সরকার একটি আইন চালু করেন বাবা-মায়ের ভরণপোষণ ও কল্যাণমূলক আইন।
2) এই আইনে বলা আছে যে ভরণপোষণ মানে খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
3) 4 নম্বর ধারায় বলা আছে যে সব বাবা-মা'ই নিজস্ব আয়বা তার নিজস্ব সম্পত্তি ভরণপোষণ পেতে সক্ষম। তবু আইনগতভাবে তারা সন্তানের কাছ থেকে ভরণপোষণ পাবেন।

Comments
Post a Comment