ট্রেড লাইসেন্সর ব‍্যাপারে বিস্তারিত তথ্য



ট্রেড লাইসেন্স 

 1938 সালে সিটি কর্পোরেশন কর বিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের ট্রেড লাইসেন্স এর সূচনা ঘটে। উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে লাইসেন্স প্রদান করা হয় থাকে।  ব্যবসার প্রথম এবং প্রধান অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স।  আমাদের দেশে এমন অনেক সফল ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করেছেন।  কিন্তু এটা পুরোটাই অবৈধ এবং আইন বিরোধী।  ট্রেড  মানে হচ্ছে ব্যবসা এবং লাইসেন্স মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স এর প্রকৃত অর্থ অনুমতি পত্র।  এই ট্রেড লাইসেন্স বাংলাদেশ সরকার সিটি কর্পোরেশন করবি তার 1983 এর অধিনে ইস্যু করে থাকে।  আপনার ব্যবসার বৈধতার প্রতীক হচ্ছে এই ট্রেড লাইসেন্স, কারণ ট্রেড লাইসেন্স সরকারি প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যু করা হয়।

 কর্পোরেশন পৌরসভা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রধানত ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে।


 ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করার উপায়-

        

                         নির্ধারিত আবেদন ফর্ম  ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়। উদ্যোক্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে সেই ফর্ম  সাথে আবেদনকারীকে কিছু ডকুমেন্ট জমা দিতে হয় উদ্যোক্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে, ট্রেড লাইসেন্স আবেদনের জন্য কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেবেন।

 বিভিন্ন প্রকার ব্যবসার জন্য কি কি ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে তা নিম্নে বলে দেওয়া হল:


    সাধারণ ব্যবসায়ী ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র সত্যায়িত ফটোকপি নিজস্ব দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের ফটো কপি আবেদনকারীর তিন কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ব্যবসায় যদি যৌথ পরিচালিত হয় তাহলে 150 /300 টাকা।


 ড্রাইভিং লাইসেন্স করার উপায়:

             গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ হলো প্রথম কাজ।  পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য কুড়ি বছর এবং অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 18 বছরের যেকোনো একটি আবেদনপত্র দাখিল করতে পারবেন তবে লাইসেন্স দেওয়ার আগেই বিআরটিএ তিন স্তরে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। 


 প্রধানত লাইসেন্স পাঁচ রকমের হয়-


ক)   শিক্ষানবিশ লাইসেন্স

খ)   পেশাদারী লাইসেন্স

গ)   অপেশাদারী লাইসেন্স

ঘ)   পিএ ভি লাইসেন্স

ঙ)   ইন্সট্রাক্টর লাইসেন্স


 শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে যেসব কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে:

ক)  নির্ধারিত ফর্মে আবেদন

খ)  রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট

গ)   ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি

ঘ)    সদ্য তোলা 3 কপি স্টাম্প ও 1 কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

     ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বিআরটিএর ওয়েবসাইট বা বিআরটিএ অফিসের লার্নার বা শিক্ষানবিস ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে।  ফর্মেটি বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।  এটি পূরণ করে নির্দিষ্ট ব্যাংকের নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।

 শিক্ষানবীশ লাইসেন্স করার জন্য একটি গাড়ির ক্ষেত্রে ভ্যাটসহ 385 টাকা।  দুটি (গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ ) ভ্যাট সহ518 টাকা। তবে লাইসেন্স প্রথমটি না করেই দ্বিতীয় টা করাই ভালো।   এই ক্ষেত্রে গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি পাওয়া যায়।  শিক্ষানবিশ মেয়াদ থাকে তিন মাস এটি আবার নবায়ন করা যায়।  তার জন্য ফি দিতে হবে 87 টাকা।  শিক্ষানবিশ থেকে পূর্ণ মেয়াদে লাইসেন্স দুটি ভাগ হয়েছে। একটি পেশাদার অন্যটি অপেশাদার।  অপেশাদার লাইসেন্স ফি 2300 টাকা আর পেশাদার লাইসেন্স ফি 1438 টাকা।



 ট্রেড লাইসেন্স এর ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে বা কোনো অসুবিধার জন্য, যোগাযোগ করুন-8777751001

OUR FACEBOOK CHANEL - CLICK ON THE FACEBOOK CHANEL LINK
 
OUR INSTAGRAM CHANEL - CLICK ON THE INSTAGRAM PAGE LINK
 
OUR WEBSITE PAGE LINK -  CLICK ON THE WEBSITE PAGE LINK
 

Comments

Popular posts from this blog

ক্রেতা সুরক্ষা আইন কী? সহজ ভাষায় জেনে নিন।

ধারা ৪৫৭ এর বিবরণ

IPC ধারা 500 কি? সহজ ভাষায় জেনে নিন।