ধর্ষণের বিরুদ্ধে শাস্তি সহজ ভাষায় জেনে নিন।
দৈনন্দিন সংবাদপত্র খুললে বা টিভি চ্যানেল রোজকার খবরে 'ধর্ষণ', ধর্ষণ বলতে যা বোঝায় তা হলো কোন মহিলাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সহবাস করা। যৌন হেনস্তার সর্বাত্মক ও নিন্দোনীয় রূপ হল ধর্ষণ। এই অশ্লীলতার ও নানান দিক আছে- নাবালিকা শিশুকে ধর্ষণ, গর্ভবতী মহিলা, পুলিশের হেফাজতে থাকা মহিলা এগুলি হচ্ছে ধর্ষণের নিন্দনীয় রূপ, এছাড়াও আবার কোনো উচ্চপদস্থ আধিকারিক দ্বারা অধীনস্থ কর্মচারী ও ধর্ষণের শিকার হয়। সেই জন্য একটি মাপকাঠি দিয়ে সব ধরনের ধর্ষণকাণ্ড বিচার করা যায় না।
ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেই কি করা উচিত: ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ দায়ের করতে হবে অনেক মানুষ এমনও আছে লোক চক্ষুর ভয় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে না কিন্তু এটা করা সম্পূর্ণ ভুল অভিযোগ দায়ের করার উপায় দুটি- জিডি অর্থাৎ জেনারেল ডায়েরি যেটা পুলিশের লগবুক। থানায় গিয়ে অভিযোগ নথিভুক্ত হয় তার জিডি তুলে রাখা হয় অর্থাৎ অধর্তব ক্ষেত্রে জিডি লেখা হয়। কিন্তু ধর্তব্য ক্ষেত্রে জিডি নয় এফআইআর লেখা হয়। এই এফআইআরের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার তদন্ত ও চার্জশিট দিয়ে থাকেন।
থানায় যাওয়ার আগেই অভিযোগ নিজের হাতে লেখা উচিত বা নিজের বিশ্বাসযোগ্য কাউকে দিয়ে লেখা উচিত থানার পুলিশ অফিসার অভিযোগ লিখলে সেটা লেখার পর শুনে নেওয়া উচিত। পুলিশ অফিসার কে কিছু তথ্য দিতে হবে যেমন তিনি জিজ্ঞাসা করতে পারেন অভিযোগকারিণীর বয়স কবে কখন কোথায় ঘটনা ঘটেছে অপরাধী ক'জন।
অভিযোগকারিণীকে প্রথমে যা করা উচিত:
ক) তার প্রথম কাজ পরিবারের লোক কে পুরো ব্যাপারটার জানানো
খ) পোশাক কাঁচা উচিত না কারণ পুলিশের তদন্তে সেটা কাজে লাগবে
গ) সাবান দিয়ে স্নান করা উচিত নয় কারণ এই ক্ষেত্রে শারীরিক অত্যাচারের চিহ্ন মুছে যেতে পারে।
ঘ) খুব দ্রুত থানায় অভিযোগ জানানো উচিত না হলে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ মুছে যেতে পারে।
স্থানীয় পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলে কি করবেন: ধর্ষণের নতুন বিডিও গনমাধ্যমের চাপে পুলিশ এখন ধর্ষণে তদন্তপ্রক্রিয়া যথেষ্ট সক্রিয়। যদি কোনো চাপে পড়ে বা অন্য কোনো কারণে স্থানীয় থানার জিডি এফআইআর নিতে অস্বীকার করে সেই মুহূর্তে লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করতে হবে।
শাস্তির বিধান: কোন নারীর অসম্মতিতে বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কাজ করে যার কারণে ওই নারীর সম্ভ্রমহানি হয় এবং এর কারণে আত্মহত্যা করে তাহলে ঐ ব্যক্তি ওই নারীর আত্মহত্যা করতে বাধ্য করার অপরাধে সেই ব্যক্তিকে অনধিক দশ বছরের কারাদন্ডে দন্ডনীয় করা হবে এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিক্রিয়ার উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত পা চোখ বা অন্য কোন অঙ্গ বিনষ্ট করতে চান বা কোনোভাবে বিকলাঙ্গ বিকৃত করেন তাহলে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
এই সম্বন্ধে আরও তথ্য জানতে
যোগাযোগ করুন- 8777751001

Comments
Post a Comment